নদ ও নদীর মধ্যে
পার্থক্য
1.যে নদীর কোন
শাখা নদী নাই কিন্তুউপনদী
থাকতে পারে তাদের নদ
বলে। আরযে
নদীরশাখা নদী বা শাখা
নদী ওউপনদী আছে তাদেরনদী
বলে। তার
আগে আপনাকে শাখা নদী
ওউপনদীরমধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।
যদি কোননদী থেকে অন্যএকটা
নদীর উৎপত্তি হয় তাহলে সেই
অন্যনদীকে ঐনদীর শাখা নদী
বলে। আবার
অন্য কোননদী যদি আর
একটা নদীর সাথে মিলিত
হয়তাহলে সেইঅন্য নদীকে সেই আর
একটা নদীরউপনদী বলে।
2. ভূগোলের
দৃষ্টিতে নদ ওনদীর মধ্যে
কোনপার্থক্য নেই।
৩.
নদ এবং নদীর পার্থক্য
বোঝাতে এ পর্যন্তএকটি পদ্ধতি
বা নিয়ম অনুসরণ করা
হয়েছে।নিয়মটি
হলো :স্ত্রী এবং পুরুষ
নাম জ্ঞাপক শব্দ, সাধারণতস্ত্রী
নামে যে প্রবাহগুলো রয়েছে
সেগুলোকে আমরা নদী নামে
অভিহিতকরে আসছি। যেমন-
গঙ্গা, সরস্বতী,যমুনা, পদ্মা, গৌরী,
ভাগীরথী, চিত্রা, নর্মদা,কাবেরী, কৃষ্ণা
ইত্যাদি।
আবার
পুরুষনামে যেগুলোর প্রবাহসেসবকে বলা হচ্ছে নদ। যেমন-
ব্রহ্মপুত্র, নারদ,ভৈরব, কুমার,
কপোতাক্ষ, মুসা খান,মির্জা
মাহমুদ ইত্যাদি।আসলে
এই সূত্র নিয়েও কিছুটা
বিতর্ক আছে।অধিক
গ্রহণযোগ্য আরেকটি সূত্র হচ্ছে,
নামেরশেষে যদি আকার,একার,
ওকার, ঔকারইত্যাদি থাকে তবে নিশ্চিতভাবে
সেইপ্রবাহগুলো নদী নামে অভিহিত
হবে। নামেরশেষে
এগুলো না থাকলে এবং
শুধু হ্রসুকারথাকলে অবশ্যই নদ হবে। যেমন-
আড়িয়ালখাঁ-এটি পুরুষ নাম
জ্ঞাপকহলেও যেহেতু শেষে আকার
রয়েছে সে জন্যএটি নদ
না হয়ে নদী।
কিন্তু মুসা খান ন-এরপরে আকার একার
কিছুনেই, যে কারণে এটি
নদ। সিন্ধু
যেহেতু হ্রসুকাররয়েছে শেষে, যে কারণে
এটি নদ। একইভাবে
বালু-এটিও নদ।
নীলস্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি
প্রবাহ। যেহেতু
এরশেষে আকার, একার কিছু
নেই, সেইসূত্রে এটি নদ।
এভাবে ঘাঘটস্ত্রী নামক জ্ঞাপক হলেও
ট-এর পরে আ-কার,এ-কার
নেই, যে কারণে এটিও
নদ।
1.যে নদীর কোন
শাখা নদী নাই কিন্তুউপনদী
থাকতে পারে তাদের নদ
বলে। আরযে
নদীরশাখা নদী বা শাখা
নদী ওউপনদী আছে তাদেরনদী
বলে। তার
আগে আপনাকে শাখা নদী
ওউপনদীরমধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।
যদি কোননদী থেকে অন্যএকটা
নদীর উৎপত্তি হয় তাহলে সেই
অন্যনদীকে ঐনদীর শাখা নদী
বলে। আবার
অন্য কোননদী যদি আর
একটা নদীর সাথে মিলিত
হয়তাহলে সেইঅন্য নদীকে সেই আর
একটা নদীরউপনদী বলে।
2. ভূগোলের দৃষ্টিতে নদ ওনদীর মধ্যে কোনপার্থক্য নেই।
৩. নদ এবং নদীর পার্থক্য বোঝাতে এ পর্যন্তএকটি পদ্ধতি বা নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।নিয়মটি হলো :স্ত্রী এবং পুরুষ নাম জ্ঞাপক শব্দ, সাধারণতস্ত্রী নামে যে প্রবাহগুলো রয়েছে সেগুলোকে আমরা নদী নামে অভিহিতকরে আসছি। যেমন- গঙ্গা, সরস্বতী,যমুনা, পদ্মা, গৌরী, ভাগীরথী, চিত্রা, নর্মদা,কাবেরী, কৃষ্ণা ইত্যাদি।
আবার পুরুষনামে যেগুলোর প্রবাহসেসবকে বলা হচ্ছে নদ। যেমন- ব্রহ্মপুত্র, নারদ,ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, মুসা খান,মির্জা মাহমুদ ইত্যাদি।আসলে এই সূত্র নিয়েও কিছুটা বিতর্ক আছে।অধিক গ্রহণযোগ্য আরেকটি সূত্র হচ্ছে, নামেরশেষে যদি আকার,একার, ওকার, ঔকারইত্যাদি থাকে তবে নিশ্চিতভাবে সেইপ্রবাহগুলো নদী নামে অভিহিত হবে। নামেরশেষে এগুলো না থাকলে এবং শুধু হ্রসুকারথাকলে অবশ্যই নদ হবে। যেমন- আড়িয়ালখাঁ-এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপকহলেও যেহেতু শেষে আকার রয়েছে সে জন্যএটি নদ না হয়ে নদী। কিন্তু মুসা খান ন-এরপরে আকার একার কিছুনেই, যে কারণে এটি নদ। সিন্ধু যেহেতু হ্রসুকাররয়েছে শেষে, যে কারণে এটি নদ। একইভাবে বালু-এটিও নদ। নীলস্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ। যেহেতু এরশেষে আকার, একার কিছু নেই, সেইসূত্রে এটি নদ। এভাবে ঘাঘটস্ত্রী নামক জ্ঞাপক হলেও ট-এর পরে আ-কার,এ-কার নেই, যে কারণে এটিও নদ।
No comments:
Post a Comment